দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক তিনটি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৭৮১ দশমিক ৩ গ্রাম (প্রায় ৬৭ ভরি) স্বর্ণালংকার, ১০টি মোবাইল ফোন, দুটি ল্যাপটপ ও তিন কার্টন সিগারেটসহ সাতজনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিমানবন্দরের বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এয়ারপোর্ট এপিবিএন জানায়, বিমানবন্দরের গোলচত্বরের উত্তর পাশে গোপন অভিযান পরিচালনার সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় এপিবিএনের সদস্যরা পাঁচজনকে আটক করেন। পরে তাদের এপিবিএন কার্যালয়ে নিয়ে শরীর তল্লাশি করে ৪৮৪ দশমিক ২ গ্রাম স্বর্ণালংকার, দুটি ল্যাপটপ, আটটি মোবাইল ফোন ও তিন কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়।
আটক পাঁচজন হলেন তোফাজ্জল হোসেন (৩৭), জসিম উদ্দিন (৩৯), আরাফাত হোসাইন (২৮), আরিফ (৪২) ও মো. আলামিন গাজী (৩৭)।
অন্যদিকে, বিমানবন্দরের আগমনী ২ নম্বর ক্যানোপি সংলগ্ন পাকা সড়কে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় রূপবান বেগম (৩৯) নামে এক নারীকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ ও শরীর তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৯৮ দশমিক ৭ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া বিমানবন্দরের মূল প্রবেশপথের গোলচত্বরের পশ্চিম পাশে পাকা সড়কে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় এম. এ. মতিন (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ১৯৮ দশমিক ৪ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এয়ারপোর্ট এপিবিএন জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, উদ্ধার করা স্বর্ণালংকার বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরকেন্দ্রিক স্বর্ণ চোরাচালান চক্রের রিসিভার হিসেবে কাজ করছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ৩ অক্টোবর বিমানবন্দর থানায় পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি(১)(বি)/২৫-ডি ধারায় মামলা করা হয়েছে।
এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার (অপারেশন্স) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এয়ারপোর্ট এপিবিএন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানসহ সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
এমএস/